স্বাধীনতা এসেছে তবে দরকার ছিল সম্মানের। ২০০৮ সালে স্বাধীন হওয়া ছোট্ট বলকান দেশ কসোভোকে সেই সম্মান এনে দিলেন মাইলিন্দা কেলমেন্দি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে গতকাল কসোভোকে জুডোর অনধিক ৫২ কেজি ওজন শ্রেণিতে এনে দিলেন সোনা। ফাইনালে ইতালির ওদেত্তে জুফ্রেইদাকে ১ পয়েন্টে হারিয়েছেন তিনি। জুডোর রানি খ্যাত কেলমেন্দির ঝুলিতে আছে দুটি করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ আর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের পদক। কিন্তু আইওসি স্বীকৃতি না দেওয়ায় ২০১২ অলিম্পিক খেলতে হয়েছে আলবেনিয়ার হয়ে। দুই বছর আগে আইওসি স্বীকৃতি দেওয়ার পর রিওর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছলছল চোখে মার্চপাস্ট করেছেন দেশের পতাকা হাতে। কাঁদলেন গতকালও। দেশকে ঐতিহাসিক সোনা এনে দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে জানালেন, ‘বিশ্ববাসীকে দেখাতে চেয়েছি কসোভো শুধু যুদ্ধের দেশ নয়। এই পদকটার গুরুত্ব অনেক। শুধু কসোভোর ক্রীড়াঙ্গনের জন্য নয়, পুরো দেশের জন্যও। গরিব দেশ আমরা, যেখানে খাবার পায় না অনেকে। স্কুলেও যেতে পারে না শিশুরা। তাদের জন্য এই পদকটার মূল্য অনেক বেশি।’ ইতিহাস গড়েছেন চীনের উ মিনজিয়াও। মেয়েদের ৩ মিটার সিনক্রোনাইজ স্প্রিংবোর্ডে সোনা জিতেছেন তিনি। তাতে প্রথম অ্যাথলেট হিসেবে অলিম্পিক ডাইভিং থেকে জিতলেন পঞ্চম সোনা। নেপালের গৌরিকা সিং অলিম্পিকে নামার আগেই গড়েছিল রেকর্ড। বয়স মাত্র ১৩। গতকাল ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রিও অলিম্পিকের সবচেয়ে কম বয়সী প্রতিযোগী হিসেবে নাম লিখেছে সে। হিটে ৩৪ জনের মধ্যে ১ মিনিট ৮.৪৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে হয়েছে ৩১তম।
সুত্রঃ কালের কণ্ঠ
2014 Powered By Wordpress, Goodnews Theme By Momizat Team